টাইটানিক মুভির অজানা কিছু তথ্য

হলিউডের বিখ্যাত ছবি টাইটানিকের সাথে আমরা সবাই কম বেশি পরিচিত। এই ছবিটিকে ঘিরে রয়েছে নানা মজার তথ্য যা আমরা অনেকেই জানি না । চলুন আজকে কিছু তথ্য জেনে নেয়া যাক।

why titanic sank

 

১।  টাইটানিক মুভিতে ২ টি অংশ রয়েছে। প্রথম অংশ ছিল রোজ এর বৃদ্ধ অবস্থা, যখন রোজ তার অতীতের কাহিনীটি বর্ণণা করে। মুভি থেকে রোজের বৃদ্ধ বয়সের ওই অংশটুকু কেটে শুধু অতীতের সময় রাখা হলে ২ ঘন্টা ৪০ মিনিট হয়। আর ঠিক তত সময় (২ ঘন্টা ৪০ মিনিট) লেগেছিল টাইটানিক জাহাজটি ডুবতে।

 

২। ছবিতে  লিওনার্দো ডি ক্যাপ্রিও এর নাম ছিল জ্যাক ডাওসন (J. Dawson)। টাইটানিক জাহাজ ডুবার সময় Dawson নামে এক জন ব্যক্তি ওই জাহাজেই নিহত হন। যার পুরো নাম ছিল জোসেফ ডাওসন (J. Dawson)।

 

৩। এই সিনেমাতে নায়কের   আঁকা সব ছবি গুলি,  ডিরেক্টর জেমস ক্যামেরুন এর আঁকা। এমন কি জ্যাক যখন রোজের এর ছবি আঁকছিল; তখন জ্যাকের হাতের সিন গুলাতে যে হাত গুলো দেখানো হয়, সেই গুলো ছিল জেমস ক্যামেরুন এর হাত।

 

৪।   টাইটানিক মুভিটি বানাতে যা খরচ লেগেছিল,  তার চেয়েও কম খরচ হয়েছিল টাইটানিক জাহাজটি তৈরী করতে।

 

৫। এই সিনেমাটি ৩ ঘন্টা ১৪ মিনিটের। কিন্তু প্রথম কাটে সিনেমাটি ছিল ৩৬ ঘন্টার।

 

৬। সিনেমাটির  নাম আসলে ছিল “প্লানেট আইস”। যা পরে পরিবর্তন করে রাখা হয় “টাইটানিক”  ।

 

rose of titanic

 

৭।   ৩,৫০,০০০ গ্যালোন পানি ব্যবহার করা হয়, মুভিটির শেষে  সিনটিতে  যখন জাহাজটি ডুবে।

 

৮।   এই  ছবিটি থেকে আয় হয় ২.১৮৭ বিলিয়ন ডলার, এটি তৈরীতে খরচ লাগে প্রায় ২০০ মিলিয়ন ডলার।

 

৯।  জেমস ক্যামেরুন শুধু টাইটানিক মুভিটির ডিরেক্টরই ছিলেন না। তিনি একযোগে মুভিটির প্রডিউসার, রাইটার, এডিটর ও ডিরেক্টর ছিলেন।

 

১০। সিনেমার  শেষের দিকে টাইটানিক যখন ডুবে গয়েছিল, তখন জ্যাক/ক্যাট এবং অন্যান্য অভিনয় শিল্পীদের শরীরে এবং চুলে যে বরফ ছিল, ওইগুলো আসলে বরফ ছিল না। সব ছিল মোম এবং এক ধনের পাউডার যা পানির স্পর্ষে এলেই ক্রিষ্টাল হয়ে যায়।

 

তথ্যগুলো ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করবে।

Please follow and like us:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *