বাঘের মাসী বিড়াল!

বাঘের মাসী নামে পরিচিত শান্ত শিষ্ট এই প্রাণীটি। পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় গৃহপালিত প্রাণী । জার্মানিতে প্রায় ৮২ লাখ পোষা বিড়াল আছে জার্মানিতে। অনেক ধরনের বিড়ালই আছে। তাদের স্বভাব-প্রকৃতিতেও আছে বৈচিত্র্য।বিড়াল সম্পর্কে অনেক মজার মজার তথ্য রয়েছে যা অনেকেরই হয়তো জানা নেই। নিচে প্রিয় এই পোষা প্রাণীর মজার কিছু তথ্য দেয়া হলো :

White_Kitten- cat

 

১) কুকুরের মত বিড়ালেরও দুধ দাঁত নেই। বিজ্ঞানীরা মনে করেন টেস্ট রিসেপ্টর কিংবা স্বাদ গ্রহণকারী যেসব হরমোন রয়েছে তাদের কারণেই বিড়ালের দুধ দাঁত নেই।

 

২) যখন একটি বিড়াল তার শিকারকে ধাওয়া করে তখন এটি তার মাথা উঁচু রাখে।

 

৩) কয়েকটি বিড়াল একসাথে থাকলে তাকে বলা হয় “ক্লাউডার”।

 

৪) বিড়াল প্রায় ১০০ ধরণের শব্দ করতে পারে।

 

৫) চীনের লোকেরা শীতের সময় বেশি করে বিড়ালের মাংস ভক্ষণ করে থাকে। কারণ তারা মনে বিড়ালের মাংস শীতে তাদের শরীরকে উষ্ণ রাখবে।

 

৬) প্রতি বছর এশিয়া মহাদেশে প্রায় চার লক্ষ বিড়াল খাওয়া হয়।

 

৭) একটি কোট তৈরি করতে প্রায় ২৪টি বিড়ালের পশম প্রয়োজন হয়।

Cat

৮) ১৯৬৩ সালে যে ফরাসী বিড়ালটি প্রথম মহাশূন্যে ভ্রমণ করে তার নাম Felicette

 

৯) প্রতি বছর যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৪০ হাজার মানুষ বিড়ালের কামড়ে আক্রান্ত হয়।

 

১০) পৃথিবীর সবচাইতে জনপ্রিয় গৃহপালিত প্রাণী হচ্ছে বিড়াল। প্রতি তিনটি ভোটে মানুষ দুটি ভোট দেয় বিড়ালকে এবং অপরটি দেয় কুকুরকে।

 

১১) বিড়ালের গোঁফ দিয়ে তারা গুরুত্বপূর্ণ কিছু কাজ করে। যেমন- ছোট্ট গর্ত দিয়ে যেতে চাইলে বিড়াল গোঁফ দিয়েই মেপে নেয়। তারপর ঠিক করে যাওয়া যাবে কি-না। কারণ বিড়াল শুধু মাথাটা গলিয়ে দিলেই অনায়াসে পুুরো শরীর গর্তের ভেতর দিয়ে পার করে আনতে পারে।

 

১২) আমরা খাবারের স্বাদ বুঝতে পারি বিশেষ ধরনের সেন্সরের কারণে। মানুষের জিভে এমন সেন্সর রয়েছে ৯ হাজার। কিন্তু বিড়ালের রয়েছে মাত্র ৪৭৩টি। তাই স্বাদ বোঝার জন্য তাদের জিভ অনেক কম কার্যকর। বিড়াল খাবারের স্বাদ বোঝে নাক দিয়ে গন্ধ শুঁকে।

 

১৩)  মানুষের যেমন আঙুলের ছাপ দিয়ে সবাইকে আলাদা করা যায়; তেমনি বিড়ালের রয়েছে একটি অঙ্গ, তা হলো নাক।

 

১৪) একেক বিড়ালের নাক একেক রকম। তাই দুটো বিড়ালের নাক কখনও হুবহু এক রকম হবে না। কিছু না কিছু পার্থক্য থাকবেই। বিড়ালের আর একটি বৈশিষ্ট্য, সে অন্ধকারে খুব ভালো দেখে।

cat

১৫) পৃথিবীর সব প্রাণীর মধ্যে শরীরের অনুপাতে বিড়ালের চোখই সবচেয়ে বড়।

 

১৬)  মানুষের মতো বিড়ালও একেক দেশে একেক ভাষায় কথা বলে। বিড়ালের ‘মিউমিউ’ সব দেশেই এক রকম নয়। যেমন- কাটালুনিয়া বিড়াল ডাকলে সেই ডাক শোনায় ‘মিউ’-এর মতো, ক্যান্টনের বিড়াল ডাকে ‘মাও মাও’, ডেনমার্কে ‘মিয়াভ’, নেদারল্যান্ডসে ‘মিয়াউ’, ইংল্যান্ডে ‘মিয়ো’, ফ্রান্সে ‘মিয়াও’, গ্রিসে ‘নাইউ’ এবং জাপানের বিড়ালের ডাক নাকি ‘ন্যায়ান, ন্যায়ান’-এর মতো শোনায়।

 

জানুন, তেলাপোকা সম্পর্কে অদ্ভুত সব তথ্য! বিস্তারিত।

Please follow and like us:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *