মার্ক জুকারবার্গ সম্পর্কে ১৪ টি মজার তথ্য

মার্ক জুকারবার্গ বর্তমান সময়ে একটি জনপ্রিয় নাম। জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা তিনি। আজকে আপনাদের জানাব মার্ক জুকারবার্গ সম্পর্কে মজার কিছু তথ্য।

 

মার্ক জুকারবার্গ
মার্ক জুকারবার্গ

 

১ । মার্ক জুকারবার্গ লাল-সবুজ বর্ণান্ধ; সে নীল রঙ সবচেয়ে ভালো দেখে। এজন্যই ফেসবুকের রঙ নীল।

 

২। ১২ বছর বয়স থেকে তিনি প্রোগ্রামিং শুরু করেন। একটি ম্যাসেজিং প্রোগ্রাম তৈরী করেছিলেন সর্বপ্রথম তিনি। যা তার বাবা ডেন্টাল অফিসে ব্যবহার করতেন; নতুন রোগী আসলে অফিসের রিসেপশনিস্ট তাকে ম্যাসেজের মাধ্যমে জানাতো।

 

৩। মার্ক জুকারবার্গ  হাই স্কুলে গ্র্যাজুয়েশনের পূর্বেই এওএল, মাইক্রোসফটসহ আরোও কিছু কোম্পানি থেকে  চাকরী করার প্রস্তাব পেয়েছিলেন; কিন্তু সবগুলো প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিলেন।

৪। সময় বাঁচাতে সবসময় একটি ধূসর বর্ণের টিশার্ট পরেন।

 

৫। টুইটারে তার ২২০,০০০ অনুসারী রয়েছে যদিও তিনি ৫ বছরে মাত্র ১৯ বার টুইট করেছেন।

৬। তিনি মূলত ভেজিটেরিয়ান। একবার মার্ক জুকারবার্গ বলেছিলেন তিনি শুধুমাত্র ঐ প্রানীর মাংস খাবেন যা তিনি নিজের হাতে হত্যা করবেন।

 

৭। মার্কের ‘বিস্ট’ নামে তার একটি কুকুর আছে। এই কুকুরের নামে একটি ফেসবুক পেজ আছে যেটির ফ্যান সংখ্যা ১.৫ মিলিয়ন।

৮। হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির ডরমিটরি থেকে তিনি সর্বপ্রথম ফেসবুক চালু করেছিলেন।

৯। মার্ক জুকারবার্গ এবং ফেসবুক নিয়ে ‘দ্য সোশ্যাল নেটওয়ার্ক’ নামক মুভি তৈরী হয়েছিল।

১০/ মার্ক জুকারবার্গ  ২০০৯ সালে প্রতিদিন একাটাই টাই পরতেন বৈশ্বিক অর্থনীতির প্রতি তাদের আন্তরিকতা দেখানোর জন্য।

 

১১। মার্ক জুকারবার্গ তার গার্লফ্রেন্ড প্রিসিলা চ্যানকে বিয়ে করেছেন। পরিবার এবং বন্ধুরা চ্যানের মেডিকেল স্কুল গ্র্যাজুয়েশন প্রোগ্রামে আমন্ত্রিত হয়েছিলেন; কিন্তু পরবর্তীতে তারা জানতে পারেন এটি আসলে তাদের বিয়ের অনুষ্ঠান।

 

১২। যদি আপনি @[4:0] এই লেখাটি ফেসবুক কমেন্ট উইন্ডোতে টাইপ করেন  এবং এন্টার পেস করেন তাহলে মার্ক জুকারবার্গের নাম দেখতে পাবেন।

 

১৩। মার্ক এর বাবা-মা, তিনি স্কুলে পড়ার সময় তার জন্য বাসায় একজন কম্পিউটার শিক্ষক নিয়োগ দেন। কিন্তু কিছুদিন পর ঐ শিক্ষক জানিয়ে দেন যে, তার পক্ষে মার্ক কে পড়ানো খুবই বিব্রতিকর, কারণ মার্ক মাঝে মাঝেই তার শিক্ষক কে ছাড়িয়ে যান।

 

১৪। জুকারবার্গ তার বাড়িতে কোন TV রাখেন না, এবং ভবিষ্যতে রাখারও কোন ইচ্ছা নেই। কারণ,  তিনি সাধারণত কম্পিউটার এ কাজ করেই সময় কাটান।

 

ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করবেন।

Please follow and like us:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *