সফল ব্যক্তিদের হাল না ছেড়ে দেয়ার গল্প

আমাদের চোখের সামনে অনেক সফল মানুষ দেখি আমরা। কিন্তু তাদের পথচলা সহজ ছিলোনা। আজকের এই জায়গায় আসতে সমুক্ষীন হতে হয়েছে অনেক ব্যর্থতার। হাল ছেড়ে দেন নি কখনো তারা।

শাহরুখ খান

 

শাহরুখ খান
শাহরুখ খান

শাহরুখ খানকে কে না চিনে? সারা পৃথিবী চেনে এখন। একজন সুপার স্টার।

  • বাসা ভাড়া না দিতে পারায় শাহরুখ খানকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিলো
  • শাহরুখ খান এর যতনা ক্রিয়েটিভ এবং স্টার হওয়ার চিন্তা ছিলো, তার চেয়ে বেশি ছিলো দরিদ্রতার চিন্তা। মুভিতে কাজ করা শুরু করেছিলেন দরিদ্রতা থেকে বাঁচতে, স্টার বা ক্রিয়েটিভ কাজ করতে নয়। প্রেরণার চেয়ে তাড়নায় কাজ করতেন বেশি।
  • শাহরুখ খানের প্রথম আয় ছিলো ৫০ রুপি। একটি কনসার্টে উপস্থাপনা করে পেয়েছিলেন। এখন শাহরুখ শত কোটি রুপির আয় করছেন প্রতিনিয়ত, কারোই অজানা নয়।
  • শাহরুখের শিক্ষকরা তাকে বলেছিলেন তার এক্টর হওয়ার স্বপ্ন ‘দিবাস্বপ্ন’ এবং মোটেও রিয়েলিস্ট কিছু না।
  • বর্তমানে শাহরুখ খান অভিনেতাদের মধ্যে পৃথিবীর দ্বিতীয় শীর্ষ ধনী। ‘কিং অব বলিউড’ নামে পরিচিত সারা পৃথিবীতে।

 

ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো

 

ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো
ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো

 

ফুটবল দুনিয়ার খুবই প্রিয় একটি নাম ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। কিন্তু আজকের এই অবস্থায় আসার আগে এত কিছু ছিলোনা তার। দরিদ্রতার মাঝে কাটিয়েছেন দিন।

  • দরিদ্রতার কারনে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ভাই ও বোনের সাথে একই রুমে থাকতে হত।
  • স্কুল থেকে এক্সপেল্ড হয়েছিলেন, তিনি নাকি শিক্ষককে ডিসরেস্পেক্ট করেছিলেন।
  • হার্টের সমস্যা ধরা পড়ার পরও কখনোই হাল ছেড়ে দেননি।
  • বর্তমানে পৃথিবীর সেরা ফুটবলার, ফিফা ফুটবলার অব দি ইয়ার।

 

মাহেন্দ্র সিং ধনী

 

মহেন্দ্র সিং ধনী
মহেন্দ্র সিং ধনী

 

কিছুদিন আগেও ছিলেন ভারতের ক্যাপ্টেন। ক্যাপ্টেন কুল হিসেবে পরিচিত। ভারতের সবচেয়ে সফল অধিনায়কদের একজন। বেস্ট ফিনিশার দের এখন এই মহেন্দ্র সিং ধনী। নিজেকে নিয়ে গেছে অন্য উচ্চতায়, কিন্তু এই পথ মৃসন ছিলোনা।

  • রেল স্টেশনের টিকেট কালেক্টর হিসেবে কাজ করতেন আগে মহেন্দ্র সিং ধনী।
  • বন্ধুদের বাইক ধার করে চলতেন। কখনোই হাল ছেড়ে দেন নি।
  • মহেন্দ্র সিং ধনী একমাত্র ইন্ডিয়ান ক্যাপ্টেন যে ইন্ডিয়ার জন্য সব আইসিসি ট্রফি জিতেছে।

 

আব্দুল সত্তার এডি

 

আবদুল সত্তার এডি
আবদুল সত্তার এডি

 

পাকিস্তানের মাওলানা হিসেবে পরিচিত। কিছুদিন আগে ইন্তেকাল করেছিলেন। পৃথিবীর বৃহত্তম ভলেন্টিয়ারি এম্বুলেন্স সার্ভিস তার। তার মা তার ১১ বছর বয়সে পারাল্যাইজড হয়ে যায়। মা তাকে প্রতিদিন ২ পয়সা দিতেন। এক পয়সা নিজের জন্য এক পয়সা কাউকে দান করার জন্য। যেদিন দান করার কাউকে খুজে না পেতেন সেদিন মায়ের বকা খেতেন।

  • মানুষ থেকে সাহায্য নিয়ে এম্বুলেন্স সার্ভিস গড়ে তোলেন
  • ছোট একটি রুমে কাটিয়ে দিয়েছেন সারা জীবন
  • ২১ শতকের সবেয়ে মানবিক মানুষ হিসেবে চেনেন সবাই তাকে।
  • মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছেন আজীবন মানবতার জন্য কাজ করে।

 

হাল ছেড়ে না দেওয়া এসব মানুষের কথা ভালো লাগলে শেয়ার করুন।

Please follow and like us:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *